1. news.dailynobobarta@gmail.com : ডেইল নববার্তা : ডেইল নববার্তা
  2. udoyjuwelahmed@gmail.com : শহীদুর রহমান জুয়েল সিলেট ব্যুরো চীফ : শহীদুর রহমান জুয়েল সিলেট ব্যুরো চীফ
  3. rabbu4046@gmail.com : রাব্বু হক প্রধান আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি : রাব্বু হক প্রধান আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  4. subrata6630@gmail.com : Subrata Deb Nath : Subrata Deb Nath
জেলা পরিষদের নজরদারির অভাবে দ্বিগুণ মাসুল আদায় হচ্ছে খেয়া ঘাটে | Daily Nobobarta
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে যাকাত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ মিরসরাইয়ে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত রাজারহাটে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ঘর পাচ্ছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী খলিল ঘিওরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন এর আলোচনা সভা সম্পন্ন ফের আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে তলব পাকিস্তান ক্রিকেটকে হত্যা করেছে নিউজিল্যান্ড : শোয়েব আখতার পাবনায় টুম্পা ও অনিবার্ণের স্মরণে বাচনশৈলীর ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প দৌলতপুরে অবৈধ চায়না জাল জব্দ, ১ জনের জেল ও ৬ জনের জরিমানা আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব চল্লিশ কাহনিয়া প্রবাসী কল্যাণ সমিতির মানবিক কাজে মুগ্ধ গ্রামবাসী

জেলা পরিষদের নজরদারির অভাবে দ্বিগুণ মাসুল আদায় হচ্ছে খেয়া ঘাটে

নাজমুস সাকিব মুন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৯ বার পঠিত
পঞ্চগড় খেয়া ঘাট

পঞ্চগড়ে জেলা পরিষদের অদক্ষতা আর নজরদারির অভাবে খেয়া ঘাটগুলোতে দ্বিগুণ মাসুল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নজরদারি না থাকায় নদী পারাপারে তাই সাধারণ মানুষকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। এতে সাধারণ মানুষের পকেট ফাঁকা হলেও ঘাট ইজারাদারের পকেট ভারী হচ্ছে। খরা কিংবা বর্ষা উভয় মৌসুমে চলে ইজারাদারের একচেটিয়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়।

জেলা পরিষদের তথ্য মতে, পুরো জেলায় মোট ১০ টি খেয়াঘাট ইজারা দেয়া হয়। এর মধ্যে সাতটি খেয়াঘাট দেবীগঞ্জ উপজেলায়, দুইটি বোদায় উপজেলায় ও একটি পঞ্চগড় সদর উপজেলায়। সরেজমিন ধুলাঝাড়ি, আউলিয়ার ঘাট, বটতলী ঘাট, তেলীপাড়া ঘাট, গোপাল বৈরাগীর ঘাটে গিয়ে দেখা যায় জনপ্রতি নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা, সাইকেলসহ একজন ১৫ টাকা, মোটরসাইকেলসহ একজন ২০ টাকা।

অথচ জেলা পরিষদ প্রদত্ত মাসুলের তালিকা থেকে জানা যায়, জনপ্রতি খরা মৌসুমে ২ টাকা, বর্ষা মৌসুমে ৩ টাকা, প্রত্যেক ব্যক্তি উভয় মৌসুমে মোটরসাইকেলসহ ১০ টাকা, খরা মৌসুমে সাইকেলসহ ৪ টাকা, বর্ষা মৌসুমে ৫ টাকা হারে মাসুল আদায় হবে।

প্রকাশ্যে মাসুলের তালিকা টাঙ্গানোর নিয়ম থাকলেও কোন খেয়াঘাটে তা দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষ নির্ধারিত মাসুল সম্পর্কে অবগত না থাকায় ইজারাদার ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত মাসুল আদায় করছেন। আবার মাসুল আদায় করা হলেও দেয়া হয় না রসিদ। এভাবেই দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ইজারাদাররা।

ধুলাঝাড়ি ঘাটের মাসুল আদায়ের দায়িত্বে থাকা মাসুদের কাছে মাসুল আদায়ের তালিকা দেখতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলায় তালিকা আছে। দেখতে হলে সেখানে গিয়ে দেখেন। ওই ঘাটের ইজারাদার রবিউল ইসলামের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

গোপাল বৈরাগী ঘাটের ইজারাদার আব্দুল মজিদ বলেন, সব ঘাটেই একই অবস্থা। কেউ জেলা পরিষদের নিয়ম অনুসরণ করেন না। তবে আমার ঘাটের তেমন কোন খারাপ রিপোর্ট পাবেন না। তিনি বাড়তি মাশুল আদায়ের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আলীম খান ওয়ারেশী ডেইলি নববার্তাকে বলেন, আইনের বাইরে যদি কেউ কাজ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর.

বিজ্ঞাপন

Daily Nobobarta © 2021 । About Contact PrivacyFamilyবাংলা কনভার্টার
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Dailynobobarta