ফের নার্ভাস নাইন্টিজের শিকার তামিম ইকবাল

পাল্লেকেলে টেস্টে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে তৃতীয় দিন শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম দিন ও দ্বিতীয় দিন বোলারদের হতাশ করে বড় সংগ্রহ করে শ্রীলংকা। দ্বিতীয় দিন শেষে শ্রীলংকার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৪৬৯ রান। ৪৬৯ নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে ২৪ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় শ্রীলংকা।

প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ৪৯৩ রান করে শ্রীলংকা। চার উইকেট শিকার করে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সফলতম বোলার তাসকিন।

এদিকে বিশাল রান পাহাড়ে উঠে লংকানরা ইনিংস ঘোষণা করলেও ব্যাট হাতে দাপুটে শুরু করেছে টাইগাররা। এরই মধ্যে ওয়ানডে স্টাইলে খেলে ফিফটি করেছেন তামিম ইকবাল। তামিম-সাইফ দুজনের ব্যাটে যখন ম্যাচে প্রাধান্য বিস্তারের পথে বাংলাদেশ, তখনই জয়বিক্রমার বলে স্লিপে ক্যাচ দেন সাইফ। এর আগে তিনি করেন ২৫ রান।

এরপর সাইফের জায়গায় নেমে দলের হতাশা বাড়িয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি টিকতে পারেন মাত্র ৪ বল। রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগের বলে ক্যাচ আউট হন শান্ত। শান্ত বিদায় নিলেও অধিনায়ক মুমিনুলকে নিয়ে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান তামিম।

কিন্তু ৯০ এর ঘরে গেলেই তামিমের কি হয়ে যায়। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসের মতো ৯০ এর ঘরে গিয়ে উইকেট হারালেন তামিম। সবাই যখন ধরেই নিয়েছিল যে তামিম সেঞ্চুরি পেতে যাচ্ছেন, তখনই জয়বিক্রমার বলে থিরিমান্নের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ১৫০ বলে করেন ৯২ রান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২১০ রান। মুমিনুল হক ৪৩ ও মুশফিকুর রহিম ৪০ রানে ব্যাট করছেন।

এর আগে প্রথম ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান। প্রথম টেস্টের মত এ ম্যাচেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন তামিম। অন্যপ্রান্তে ধরে খেলে রান করতে মনোযোগী ছিলেন সাইফ। দলের রান যখন ৬১, তখন ক্যারিয়ারের ৩১তম ফিফটি পূরন করেন তামিম। অর্ধশতকের পথে ৫৭ বল খেলেন দেশসেরা ওপেনার।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহীম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, আবু জায়েধ চৌধুরী রাহী ও শরিফুল ইসলাম।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: দিমুথ করুণারত্নে (অধিনায়ক), লাহিরু থিরামান্নে, ওশাদা ফার্নান্দো, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, পাথুম নিসাঙ্কা, নিরোশান ডিকভেলা (উইকেটরক্ষক), রমেশ মেন্ডিস, প্রবীণ জয়বিক্রম, সুরাঙ্গা লাকমল ও বিশ্ব ফার্নান্দো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *