লক্ষীপুরে নৌপথে কর্মমুখি মানুষের ভিড়, সড়কে ভোগান্তি

চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই আজ রবিবার (১ আগস্ট) থেকে খুলছে রফতানিমুখী শিল্প কারখানা। সরকারের এমন প্রজ্ঞাপনের পর লকডাউনের নবম দিনে শনিবার সকাল থেকে এখনো লক্ষীপুর ফেরি ঘাট এলাকা ও বাস টার্মিনালে দেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে নারী ও শিশুসহ এসব মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রামে ছুটছেন। পথে পথে পরিবহন না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এসব মানুষ।

সরেজমিন বাস টার্মিণাল ও ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, দুপুর সাড়ে ১২ টায় ভোলা থেকে হাজারো যাত্রী নিয়ে স্থানীয় মজু চৌধুরী হাট এলাকায় কিষানী নামের একটি ফেরি নোঙ্গর করে। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে ফেরিতে আসেন। পরে তারা ছড়িয়ে পড়ে নিজ কর্মস্থলের উদ্দ্যেশ্যে। কিন্তু পরিবহন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ ঘন্টা অপেক্ষার পর এসব মানুষ বাড়তি টাকা দিয়ে ছোট ছোট যানবাহন (অটো রিক্সা ও সিএনজি অটো রিক্সা) যোগে বাস টার্মিণালে আসেন। কিন্তু বাস টার্মিণাল থেকে কোন বাস না ছাড়ায় তারা আবারো পড়েন বিপাকে।

আবারো অপেক্ষা পরিবহণের। ক্লান্তির যেন শেষ নেই এসব মানুষের। যাত্রীর তুলনায় ছোট গাড়ীও তেমন নেই। এমন পরিস্থিতিতে ১৫০ টাকার ভাড়া ৩০০ টাকা করে ছোট গাড়ীযোগে চৌমুহনী-চৌরাস্তায় ছুটেন অনেকে। অনেকে আবার নারী ও শিশু নিয়ে পরিবহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। ছোট গাড়ী দেখেলেই গুমড়ি খেয়ে পড়েন যাত্রীরা।

এসময় বেশ কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেন, সরকার বিকল্প ব্যবস্থা না করে লকডাউনে অফিস খুলে দেয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার তারা। চাকুরী বাঁচাতে ঝুঁকি ও বাড়তি টাকা গুণে তারা এখন কর্মস্থলে ফিরছে শ্রমজীবি মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *