রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

sakarya escort sakarya escort sakarya escort serdivan escort webmaster forum

serdivan escort serdivan escort serdivan escort hendek escort ferizli escort geyve escort akyazı escort karasu escort sapanca escort

নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন

ভারত সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৪ বার পঠিত
নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজ

নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন অনিয়ম ও বিএমডিসি’র অনুমোদন না থাকার কারনে এবং উক্ত কলেজের প্রতারণার জেরে মাইগ্রেশনের দাবিতে সোমবার সকালে মহাখালী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেন নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের প্রতারিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

মানববন্ধনে ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, আমরা নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র-ছাত্রী। ২০১৭-১৮ সেশনে হইকোর্টের কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে এবং ভর্তি হওয়ার তিন মাসের ভেতর ঢাকা ইউনিভার্সিটি ও বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন এনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমাদের ভর্তি নেয়। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পর তারা আমাদের নানাভাবে মিথ্যা আশ্বাস ও হুমকি দিতে থাকে।

২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষার মাত্র দুইদিন পূর্বে ঢাকা ইউনিভার্সিটি শর্ত সাপেক্ষে আমাদের স্টুডেন্ট রেজিষ্ট্রেশন দেয়। স্টুডেন্ট রেজিষ্ট্রেশন পাওয়ার পরে নাইটিংগেল কর্তৃপক্ষ নানাপ্রকার দূর্নীতি ও অনিয়মের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়ে। ফলে হাসপাতালের অবস্থা দিন দিন অবনতি হতে থাকে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও সুযোগ সুবিধা না থাকার কারনে এটি রোগীশূন্য হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। এখানে সপ্তাহে একজন বা দুইজন রোগী ভর্তি হয়।

আমরা বারবার বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন এনে দেওয়ার কথা বললে তারা আমাদের নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে। তারা একের পর এক ডেট পিছাতে থাকে। বিএমডিসি নিজে থেকে ইনভেস্টিগেশনে আসার জন্য দুইবার চিঠি পাঠানোর পরও কর্তৃপক্ষ তাদের চিঠি গ্রহণ করে নি। অর্থাৎ নাইটিংগেল কর্তৃপক্ষ কখনো চায় নি বিএমডিসি কর্তৃপক্ষ ইনভেস্টিগেশনে আসুক। কারন তারা জানে বিএমডিসি ইনভেস্টিগেশনে আসলে তারা কখনো অনুমোদন পাবে না। এই রোগীশূন্য হাসপাতালে আমরা স্টুডেন্টরা কি শিক্ষা গ্রহণ করব তা আমাদের বোধগম্য নহে।এখন বর্তমানে চতুর্থ বর্ষে স্থায়ী কোনো শিক্ষক নেই। গেস্ট শিক্ষক দিয়ে আমাদের পাঠদান করানো হত। তৃতীয় বর্ষে কোনো শিক্ষক নেই। এই মেডিকেলে ল্যাব পুরোপুরি খালি অবস্থায় রয়েছে কোনো ইকুয়েপমেন্ট নেই। দ্বিতীয় প্রফে ফরেনসিক মেডিসিন পরীক্ষায় পয়জনের বোতলে পানি নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতাল ও কলেজ উন্নয়ন করার জন্য আমরা বারবার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা স্বত্তেও তারা আমাদের কথার কোনো মূল্যায়ন করে নি। বরং বারবার আমাদের হুমকি দিতে থাকে। বলে আমরা চাইলে তোমাদের ৫০ জন স্টুডেন্টকে গুম করে ফেলতে পারি এবং আরও নানাভাবে তারা হুমকি দিতে থাকে। অবশেষে আমরা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ২১/০৯/২১ ইং তারিখে সকল প্রকার ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেই।

অনেকদিন পার হয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ আমাদের সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ করে নি। কয়েকমাস পূর্বে আমাদের মেডিকেল কলেজের সম্মানিত প্রিন্সিপাল দীপক কুমার স্যার ডেইলি বাংলাদেশ পত্রিকার এক স্বাক্ষাতকারে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীর উপস্তিতি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।
এমতাবস্থায় আমাদের ৬০ জন স্টুডেন্টের ভবিষ্যত পুরোপুরি অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে। দয়া করে আমাদেরকে আপনারা এদের হাত থেকে বাঁচান আমরা বাঁচতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Dailynobobarta
Developed By Dailynobobarta