dailynobobarta logo
আজ মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০২৩ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | কনভার্টার
  1. অন্যান্য
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. ধর্ম
  7. প্রযুক্তি
  8. বাংলাদেশ
  9. বিনোদন
  10. বিশেষ নিবন্ধ
  11. লাইফস্টাইল
  12. শিক্ষা
  13. শিক্ষাঙ্গন
  14. সারাদেশ
  15. সাহিত্য

বিশ্ব চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের তরুণ নির্মাতা মেঘ

প্রতিবেদক
রিয়েল তন্ময়, বিনোদন প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০২৩ | ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মনজুরুল ইসলাম মেঘ

একজন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতার যত রকম বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়, মনজুরুল ইসলাম মেঘের ক্ষেত্রে তা ছিল কয়েকগুণ বেশি। দীর্ঘ চড়াই উৎরাই পেরিয়ে স্বাধীন নির্মাতাদের কাঙ্খিত রাষ্ট্রীয় চলচ্চিত্র অনুদান পেয়েও বঞ্চিত হয়েছেন তিনি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটি এক বিরল ঘটনা। অন্য দশজন নির্মাতাকে এই রকম নির্মম বঞ্চনার মুখোমুখি হতে হয়নি।

এত্তসব বাঁধা-বিপত্তি আর বঞ্চনার পরেও তিনি থমকে থাকেননি। কীভাবে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা যায় সেই পথ খুঁজে বেড়িয়েছেন নিরন্তর। ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দিন দিন সাফল্যের পথে অগ্রসর হয়েছেন। নিজের জন্য তো বটেই, বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ছিনিয়ে এনেছেন সম্মানজনক আন্তর্জাতিক অর্জন। সেই অর্জনে বিশ্ব চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের নামটি স্থাপিত হয়েছে অনন্য উচ্চতায়।

তরুণ নির্মাতা মনজুরুল ইসলাম মেঘের আন্তর্জাতিক অর্জনের দিকে তাকালে রীতিমত অবাক হতে হয়! এই বয়সে ১১টি দেশের বিশের অধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি, ডেলিগেট, প্রোগ্রামার, অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বাংলাদেশের তরুণ নির্মাতাদের জন্য এই অর্জন একটি মাইলফলক। এখানেই শেষ নয়। মেঘ প্রতিষ্ঠা করেছেন সিনেম্যাকিং নামের ভিন্নধর্মী এক চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ৪০ এর অধিক দেশে চলচ্চিত্র পরামর্শক ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব পরিবেশক হিসেবে যুক্ত আছে। সিঙ্গাপুর, জার্মানি ও আমেরিকায় সিনেম্যাকিংয়ের লিয়াজোঁ অফিস আছে।

সিনেম্যাকিংয়ের পাশাপাশি মেঘ প্রতিষ্ঠা করেছেন সিনেম্যাকিং ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের। ফেস্টিভ্যালটির তিনটি আসর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় আসরে ১২১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল এই উৎসবে। এ যাবৎকালে বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্র উৎসব একসঙ্গে এত দেশ অংশগ্রহণের নজির নেই। ফলে লন্ডনভিত্তিক ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক কর্তৃক অ্যাপ্রিসিয়েসন সার্টিফিকেট অর্জন করে সিনেম্যাকিং ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ২০২২ সালে এশিয়ার অন্যতম প্রধান ফিল্ম কিউরেটর হিসেবে স্বীকৃতি পান মনজুরুল ইসলাম মেঘ। আন্তর্জাতিক ফেস্টিভাল ফেডারেশনের সদস্য পদ অর্জন করেন তিনি।

এত কিছুর পরেও মনজুরুল ইসলাম মেঘের প্রধান পরিচয় তিনি একজন স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা। সম্প্রতি তিনি ‘ময়না’ নামের একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। চলচ্চিত্রটি সেন্সর পেয়ে এখন মুক্তির অপেক্ষায়। একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে তিনি ভালোভাবেই বোঝেন তরুণ নির্মাতাদের কী ধরণের চড়াই উৎরাই পাড়ি দিতে হয়। তাই তরুণ নির্মাতাদের জন্য প্রযোজনায় নেমেছেন তিনি। সিনেম্যাকিং এখন একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও বটে। বর্তমানে চারজন তরুণ নির্মাতার জীবনের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে মনজুরুল ইসলাম মেঘের প্রযোজনায়।

গতকাল ৩১ জুলাই পালিত হয়েছে তরুণ এই নির্মাতার ৩০তম জন্মদিন। মাত্র তিন দশকের ঈর্ষণীয় সাফল্যের সৌরভ ছড়িয়ে পড়ুক তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে। সাফল্য হোক তার নিত্যসঙ্গী। চলচ্চিত্র উদ্যোক্তা হিসেবে মনজুরুল ইসলাম মেঘ সফল হলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে যুক্ত হবে নতুন পালক।

রিয়েল তন্ময়, বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক | Website | + posts

সর্বশেষ - মানিকগঞ্জ