
যেটার স্বপ্নর প্রজন্ম সহ দেশের সাধারন জনগণ দেখেছিল ৫ই আগস্টে অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করা হয়েছিল একটা ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশের জন্য।
কিন্তু আজও দেশে যা চলছে, তা রাষ্ট্রীয়ভাবে মাফিয়া করণ! জনগণ, যারা রাষ্ট্রকে কর দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে তারাই আজও সরকারি অফিস গুলোতে গিয়ে অসম্মানিত হচ্ছে, “স্যার” না বললে কাজ হয় না! অথচ রাষ্ট্রের চাকুরিরত অফিসাররা- স্যার বলে সম্বোধন করার কথা সাধারন জনগণকে।
এখনোও থানায় সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ন্যায্য মামলা করতে পারছে না।
পুলিশ থানায়, রাস্তায় চোরাকারবারীদের গাড়ি থামিয়ে প্রকাশ্যে ঘুষ নিচ্ছে, অথচ মানুষ দেখেও না দেখার ভান করছে! বিভিন্ন দলের নাম ব্যবহার করে নির্লজ্জভাবে দখল করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের জমি, সম্পদ! টেন্ডারবাজি, সিন্ডিকেট করে সরকারি কাজ ভাগাভাগি কিছু নামমাত্র টাকায় বড় বড় প্রকল্প হাতিয়ে নিচ্ছে একটি বড় দুর্নীতিবাজ চক্র। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যখন দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই তারা অপমানের শিকার হচ্ছেন, যাদের রেমিট্যান্সে চলে দেশের অর্থনীতি, তাদের পাসপোর্ট হাতে না দিয়ে কাউন্টারের উপর ছুড়ে ফেলা হয়, অকারণে হয়রানি করা হয় সেই সকল রেমিটেন্স যোদ্ধাদের!
লেখক :
মন্জুরুল করিম তুহিন
সাংগঠনিক সম্পাদক
(বিএনপি)যুক্তরাষ্ট্র মিশিগান।