এসএমপির সহযোগিতায় দখল বাড়ি ফিরে পেলেন প্রবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের আইনগত সহায়তা ও দক্ষ তৎপরতার মাধ্যমে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শামিমাবাদ এলাকায় লন্ডন প্রবাসীর ৫তলা বাড়ী অবৈধ দখলমুক্ত করায় অদ্য ০১/০৭/২০২৫ খ্রিঃ বিকাল ১৬.০০ ঘটিকায় সোহেল বেগ ও পরিবারবর্গ (স্বত্বাধিকারী) এর আয়োজনে এক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

২০১১ সালে সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকায় ১৫ শতক জমি কেনেন আলম বেগ। পরে সেই জায়গার মধ্যে ৯ শতক জমির ওপর পাঁচতলা একটি ভবন নির্মাণ করেন। পাঁচ ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী হওয়ায় একপর্যায়ে আলম বেগও সস্ত্রীক যুক্তরাজ্যে চলে যান ২০১৮ সালে তার এই বাড়িটি দখলে নেন যুবলীগ নেতা শামীম ও ছাত্রলীগ নেতা তুষার। অনেক চেষ্টা করেও বাড়িটি দখলমুক্ত করতে পারেননি।

সিলেট নগরীর মাতৃমহল হলিভিউ এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ রেজাউল করিম পিপিএম-সেবা মহোদয়।

শামীমাবাদ আল জান্নাত জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী হাফিজ সৈয়দ শামীম আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,সিটি কর্পোরেশন সাবেক প্যানেল মেয়র (১) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী,সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নূর, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

এসময় এলাকার গণমান্য ব্যক্তিরাসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, আমরা আজ যে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি, তা জুলাই যোদ্ধাদের অভ্যুত্থানের ফল। বর্তমানে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ফলে ভোক্তভোগীরা আমাদের কাছে অভিযোগ করলে আমরা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করি।”
দেখা গেছে অভিযুক্তরা জালিয়াতির মাধ্যমে বাসার হোল্ডিং নম্বর পরিবর্তন করে ‘হোয়াইট হাউজ’ নাম দিয়েছে। আমরা সঠিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিককে তাদের বাসা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাদের সম্পদ রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর। প্রকৃত মালিক তাদের জায়গায় থাকবে, অবৈধ দখলদার নয়।

প্রয়োজনে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপি মহোদয়ের নেতৃত্বে দেশে সুশাসনের ধারা এগিয়ে চলছে। দলমত নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে কমিউনিটি পুলিশিং গড়ে তুলে সমাজ থেকে মাদক, জুয়া ও অশ্লীলতা নির্মূল করতে পারি। আমরা হতে চাই ‘জনতার পুলিশ’। উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ভুক্তভোগী প্রবাসীর আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এসএমপি‘র অন্যান্য অফিসারবৃন্দ, সাংবাদিকগণ এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সবাই সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *